Wednesday, January 29, 2025

ঢাকা শহরে তিন সদস্যের একটি প্রতারক চক্রের প্রতারনার কৌশল এবং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার নামে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নিতি ও লুটপাটের ব্যবসা



আজ আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব ঢাকা শহরে তিন  সদস্যের একটি প্রতারক চক্রের সাথে। যারা অত্যান্ত কৌশলে, সম্মানের সাথে, আত্নমর্যাদা নিয়ে, মানুষকে ব্লাকমেইল করে আর্থিক অনিয়ম, লুটপাট ও দুর্নিতির মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে ঢাকার ডেমড়া এলাকায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার নামে প্রতারনার ব্যবসা করে আসছে। 

এই প্রতারক চক্রের প্রথম প্রতারনার ব্যবসা স্থান হল ঢাকার ডেমড়ার এ্রারোমো হাসপাতাল। সেখান হতে অপমানিত ও অপদস্থ হয়ে বের হয়ে পুনরায় করে স্টাফ কোয়াটার এলাকায় হলি এইড হাসপাতাল। সেখান হতে অপমানিত ও অপদস্থ ও জেল খেটে এবং মারধরের শিকার হয়ে বের হয়ে,  আবার প্রতিষ্ঠা করে কোনা পাড়া এলাকায় রয়েল ম্রাক্স হাসপাতাল। কিন্তু আল্লাহর কি রহমত এখানে এসে এই প্রতারক চক্র একই কাজ করে এবং সকলের সামনে তথা হাসপাতালের পরিচালকগন, রোগী , জনসাধারন ও এলাকাবাসীর কাছে তাদের মুখোশ উম্মোচন হয়ে পড়ে। কিন্তু এদের ভিতর না আছে অনুতপ্ত ও অনুশোচনা। এরা নিজেদের পরিচয় দেয় সমাজ সেবক ও উদ্দোগতা হিসেবে।

ঢাকার ডেমড়ার কোনাপাড়ায় অবস্থিত রয়েল ম্যাক্স হাসপাতাল। এখানে একটি প্রতারক চক্র ধরা পড়েছে, যারা গত এক যুগ ধরে ডেমড়া এলাকায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার ব্যবসার নামে মানুষকে প্রতারিত করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।  এই গ্রুপটি সম্পর্কে সতর্ক হউন এবং সজাগ থাকুন এবং এদের সাথে লেনদেন করা হতে বিরত থাকুন।

এই প্রতারক চক্র বা গ্রপ বা দলটির বিস্তারিত তথ্য নিম্নরুপঃ

* দলটির নাম ঃ জিখাজ গ্রুপ অব কোম্পানি - ঢাকা (জি-জিল্লুর রহমান, খা-খাইরুল ইমাম, জ-জসিম উদ্দিন)

* দলটির সদস্য সংখ্যাঃ মুল সদস্য সংখ্যা তিন জন - প্রফেসর ডাঃ মোঃ খাইরুল ইমাম- দলটির চেয়ারম্যান, মোঃ জসিম উদ্দিন - দলটির এম ডি এবং মোঃ জিল্লুর রহমান - দলটির ম্যানেজার।

* দলটির কাজ ঃ সমাজের নম্র, ভদ্র,  উচ্চ শিক্ষিত,  অল্প শিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত এবং মুর্খ লোকদের এক সাথে করে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার  ব্যবসার নামে টাকা নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনার নাম করে আর্থিক অনিয়ম, লুটপাট, দুর্নিতি ও প্রতারনার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়া।

* দলটির ব্যবসা কাল ও ব্যবসার স্থানঃ  গত ১২ বছর ধরে অত্যান্ত কৌশল ও দক্ষতার সাথে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে ঢাকার ডেমরা থানা এলাকায়, এই তিন সদস্যের চক্রটি।

# প্রথম স্থানটি - এ্রারোমো হাসপাতাল  ডেমড়া

# দ্বিতীয় স্থানটি - হলি এইড হাসপাতাল স্টাফ কোয়াটার

# তৃতীয় স্থানটি - রয়েল ম্রাক্স হাসপাতাল কোনাপাড়া বাজার

# চতুর্থ স্থানটি ইউনিটি এইড হাসপাতাল রামপুরা বনশ্রী

* দলটির বর্তমান ব্যবসার স্থানঃ ঢাকার ডেমড়ার কোনাপাড়ার রয়েল ম্যাক্স হাসপাতাল

* দলটির মাস্টারমাইন্ড বা মুল হোতাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন - দলটির এম ডি 

* দলটির সাইনবোর্ড ঃ দলটির সাইনবোর্ড হিসেবে চেয়ারম্যান ও এম ডি তাদের কর্মস্থল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল নয়াপল্টন এবং ইসলামী ব্যাংক হসপাতাল মিরপুর শাখাকে ব্যবহার করে আসছেন। 

* দলটির লক্ষ ও উদ্দেশ্যঃ সুকৌশলে মানুষের টাকা হাতিয়ে নিয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে সরে পরা।

এই তিন সদস্যের প্রতারক চক্র কিভাবে প্রতারনা করে- এই তিন সদস্যের প্রতারক চক্রের বর্তমান প্রতারনার কৌশল এবং এদের গতিবিধি ও কাজ কর্ম  আমাদের জালে ধরা পড়েছে। যা আপনাদের সুবিধার্থে তুলে ধরা হল। তাদের এই কর্মকান্ড ধরা পরেছে ঢাকার ডেমড়ার কোনাপাড়ার রয়েল ম্যাক্স হাসপাতালে।

ঢাকার ডেমড়ার কোনাপাড়ার মেইন রোড সংলগ্ন কাচা বাজারের পাশেই তারা উদ্দ্যাগ নেয় একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার। সেই নিয়ম মাফিক তারা একটি বাড়ি ভাড়া নেয়ার প্লান করে। সেই প্লান মাফিক বাড়ি ভাড়া নেয়া হয় এবং বাড়িটি ডিড করা হয় এম ডি মোঃ জসিম উদ্দিন এর নামে। যাতে বাড়িটি তাদের কব্জায় থাকে। বাড়ি ভাড়ার জন্য প্রয়োজন টাকা । এবার শুরু টাকা সংগ্রহ।

* ডিরেক্টর হিসেবে টাকার প্রতারনা - টাকার জোগার করার কাজে মোঃ জসিম উদ্দিন পুর্ব পরিকল্পনা মাফিক মোঃ জিল্লিুর রহমানকে সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ডিরেট্কর জোড়ার শুরু করে। দশজন ডিরেকটর জোগার হয়ে যায় হয়েক মাসে। প্রথম দিকে সকলের ডিরেকটর বাবদ ধরা হয় ৫ লাখ টাকা করে। এসময় মোঃ জসিম উদ্দিন দুবাই প্রবাসী ডিরেক্টর মোঃ রেজাউলের এর কাছ হতে ১০ লাখ টাকা নিয়ে তাকে একটি ডিরেকটর শিপ বাবদ তার নামে পাচ লাখ টাকা জমা দিয়ে  বাকি ৫লাখ টাকা নিজের নামে দেখিয়ে নিজে ডিরেকটর হয়ে যায়। অর্থাৎ মোঃ জসিম উদ্দিন কোন টাকা নিজ হতে দেয়নি। অপরদিকে মোঃ জিল্লুর রহমান ভেনডর আসাদ এর কাছ হতে  ১০ লাখ টাকা নিয়ে তাকে একটি ডিরেকটর শিপ বাবদ তার নামে পাচ লাখ টাকা জমা দিয়ে  বাকি ৫লাখ টাকা নিজের নামে দেখিয়ে নিজে ডিরেকটর হয়ে যায়। অর্থাৎ মোঃ জিল্লুর রহমান নিজ হতে কোন টাকা দেয়নি। এবার প্রফেসর ডাঃ খাইরূল ইমাম নিজের সুবিধা মতো ভেঙ্গে ভেঙ্গে ২০/ ৩০/ ৫০ হাজার করে পাচ লাখ টাকা দেয় এবং পরবর্তীতে কৌশলে এই টাকা গোপনে মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্লুর রহমান এর মাধ্যমে তুলে নেয়। কিন্তু সবাই জানে প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম , মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্রুর রহমান ৫ লাখ করে টাকা দিয়ে ডিরিক্টর হয়েছেন । কিন্তু বাস্তবতা হল এই তিনজন কেউই কোন টাকা এখানে ইনভেস্ট করেননি বরং প্রত্যেকে এখানে কই মাছের তেল দিয়ে কই মাছ ভাজা শুরু করেছে কেবলমাএ। শুরু হল এদের প্রথম প্রতারনা।

* হাসপাতালের ডেকোরেশন করা নিয়ে প্রতারনা - এবার মোঃ জসিম উদ্দিন সবাইকে বুঝায় বিল্ডিংটি হাসপাতালের জন্য রেডি করতে হবে। এটা করতে গেলে ভাল লোকবল লাগবে যারা সুন্দর করে সেটআপ দিতে পারবে। এটার ডেকোরেশন এর জন্য মোঃ জসিম উদ্দিন ও মোঃ জিল্রুর রহমান তাদের  নিজস্ব লোকজন নিয়ে আসে এবং কৌশলে এটির ডেকোরশেন করে বিশাল অঙ্কের টাকা খেয়ে ফেলে। 

* হাসপাতালের মেশিনারীজ ক্রয় করা নিয়ে প্রতারনা-এরপর শুরু হয় হাসপাতালের জন্য মেশিনারীজ ক্রয় করা। কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে পরিকল্পনা মাফিক পুর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজের পছন্দের কোম্পানী হতে ক্যৌশলে মেশিনারীজ ক্রয় করে প্রায় ৫০ লাখ টাকার লুটপাট ও দুর্নিতি করে। পরিচালকগন কয়েকমাসে এটি বূঝার পর অডিট করতে চাইলে মোঃ জসিম উদ্দিন কৌশলে সরে পরে এবং অডিট না করার জন্য বিভিন্ন টাল বাহানা করতে থাকে এবং আজ পর্যন্ত কোন অডিট করতে দেয়নি। 

* হাসপাতালের জনশক্তি নিয়োগ দেয়া নিয়ে প্রতারনা- এবার হাসপাতাল পরিচালনার জন্য লোকবল দরকার। এক্ষে্ে েএ মোঃ জাসম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্রু রহমান কৌশলে নিজস্ব লোকজন নিয়োগ দিতে থাকে যাতে সবাই তাদের অনুগত হয় এবং প্লান মাফিক চলে এবং হাসপাতাল যাতে তাদের অধীনে থাকে এবং এই লোকবল নিয়োগের মাধ্যমে প্রত্যেকর কাছ হতে তারা সুবিধা গ্রহন করে নেয়।

* হাসপাতালের প্যাথলজিক্যাল টেস্ট নিয়ে প্রতারনা- রোগীদের বিভিন্ন টেস্ট কৌশলে মোঃ জিল্লুর রহমান ও মোঃ জসিম উদ্দিন এর সহযোগতিায় পার্ম্ববর্তী পপুলার ডায়াগনস্টিক এ পাঠিয়ে দিয়ে কোডিং সিস্টিমে কমিশন খেতে থাকে এবং পরবর্ততে ডিরেক্টরদের হাতে ধরা পড়ে। এ কাজে তাদের সহায়তা করে প্রফেসর ডাঃ মোঃ খাইরুল ইমাম। সব জনার পরও  ইনি নিঃচুপ থাকেন।

* হাসপাতালের রোগীদের কমিশন নিয়ে প্রতারনা- মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্লুর রহমান কৌশলে রোগীদের বিভিন্ন ফার্মেসির মাধ্যমে এসেছে দেখিয়ে ফার্মেসির নামে কমিশন উঠিয়ে নিজেরা ভাগ করে খেয়ে ফেলতো। ডিরেকটরদের এ ব্যাপারে সন্দেহ হলে তারা অনুসন্ধান চালিয়ে তাদের এ কারসাজি বের করে ফেলে।

* হাসপাতালের অপারেশনের রোগীদের কমিশন  নিয়ে প্রতারনা- হাসপাতালে বিভিন্ন অপারেশন এর জন্য রোগী আসলে কৌশলে রোগীদের হয় ফার্মেসি অথবা দালার এর মাধ্যমে এসেছে দেখিয়ে সেই টাকা উঠিয়ে এই তিন প্রতারক চক্র ভাগ করে খেয়ে ফেলত। হাসপাতালের অন্যান্য ডিরেকটর গন তাদের এই ছরচাতুরি ধরে ফেলে। 

* হাসপাতালের মাসিক আয় ও ব্যয়  নিয়ে প্রতারনা- হাসপাতালের নামে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে এ্যাকাউন্ট খোলা হলেও , হাসপাতালের আয়কৃত টাকা মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্রুর রহমান নিজেদের কাছে রাখত এবং প্রয়োজন মত খরচ করত ও হিসেব প্রতি মাসেরটি বোর্ড মিটিং এ চাইলেও দিত না। এতে ডিরেকটরগন বার বার বলেও কোন ফল পায়নি।

* হাসপাতালের রোগীদের অপারেশন নিয়ে প্রতারনা- হাসপাতালে আগত রোগীদের কৌশলে বিভিন্ন মারফত এসেছে দেখিয়ে এবং রোগীদের সাথে প্যাকেজ করে এবং পরবর্তীতে ডাঃ এর সাথে প্যাকেজ করে একেকজন রোগীর কাছ হতে দুই তিন দফা কমিশন খেত এবং খায় এই প্রতারক চক্র। যা আমাদের অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে।

* হাসপাতালের স্টাফদের বেতন নিয়ে প্রতারনা- এই প্রতারক চক্র কৌশলে হাসপাতালের বিভিন্ন স্টাফদের বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত করত। এর মধ্যে রয়েছে তাদের বেতন , যেখান হতে তারা কমিশন খেত । পরবর্তিতে ডিরেকটর গন এটা বুঝতে পারে। যেই স্টাফের সাথে তাদের সখ্যতা বেশী তাদের বেতন ঠিক ঠাক দিয়ে দেয়। যাদের কম তাদের ভেঙ্গে ভেঙ্গে বেতন দেয় এবং যাদের সাথে সখ্যতা নেই তাদের না চাইলে বেতন দিত না। এদের মধ্যে যারা বার বার বেতন চাইত এবং যারা দেখতে সুন্দরী , মোঃ জিল্লুর রহমান কৌশলে তাদের টার্গেটে করে রাখত এবং এই তিন প্রতারক চক্র একসাথে তাদের সাথে  অসামাজিক কাজে লিপ্ত হত বলে প্রমান পাওয়া গেছে।

* ব্যাংক এ্যাকাউন্টে টাকা না রাখা নিয়ে প্রতারনাঃ হাসপাতাল হতে আয়কৃত টাকা তারা নির্দিস্ট ব্যাংক এ্যাকাউন্টে না রেখে নিজেদের কাছে রেখে দিত এবং সেই টাকা দিয়ে নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনা করে লাভ করত এবং টাকা আটকে গেলে ডিরেকট্বরদের ডেকে লোন দিতে বলত এবং বলত যে বাড়িওয়ালা চাপ দিচ্ছে ভাড়া না দিলে হাসপাতাল বন্ধ করে দিবে। এভাবে প্রতারনা করে কয়েক দফা ডিরেকটরদের কাছ হতে টাকা নিয়ে তাদের প্রতারিত করেছে এবং সময়মত টাকা ফেরত দেয়নি।

* হাসপাতালের শেয়ার হোল্ডার নিয়ে প্রতারনা- শেযারের নামে টাকা নিয়ে সেই টাকা দিয়ে ব্যবসা করে , শেয়ার হোল্ডারদের নিয়ে কোন এ জি এম এখন পর্যন্ত করে নি এবং কোন লভ্যাংশ আজ পর্যন্ত দেয়নি। শেযার হোল্ডার গন চাপ দিলে যে ডিরেকটর এর মাধ্রমে উনি এসেছেন তাকে দেখিয়ে এটা সামলাতে বলতেন। নিজেরা সুকৌশলে সরে পরতেন। 

* ডিরেকট্বরদের বিদায় করা নিয়ে প্রতারনাঃ ডিরেকটরদের হাসপাতাল লসে আছে এবং বাড়ি ভাড়া বকেয়া রয়েছে , স্টাফ বেতন দিতে পারছে না, লোন নিতে হবে এরকম বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে এবং ডিরেকটর ও শেযার হোল্ডারদের কোন রকম লভ্যাংশ না দিয়ে এই প্রতারক চক্র ঠিকই নিজেরা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নিজেরা নিজেদের মত করে এবং নিজেদের শেয়ার হোল্ডারদের সুকৌশলে টাকা দিয়ে বিদায় করছে কিন্তু অন্যদের ঝুলিয়ে রাখছে। এবং কোন প্রতিবাদ করলে বলে চলে যেতে চাইলে এ্যাপ্লিকেশন দিন এবং তিন মাস পরে যোগাযোগ করবেন এবং এর মধ্যে হাসপাতালে আসবেন না বা কোন রকম নাক গলাবেন না। কত সুন্দর প্রতারনা এদের।

* ডিরেকটর নিয়োগ দেয়া নিয়ে প্রতারনাঃ নিজেদের মনমত এবং বোর্ড মিটিং ছাড়াই মোঃ জসিম উদ্দিন বাকি দুই প্রতারকদের নিয়ে সুকৌাশলে ডিরেকটর নিয়োগ দিয়ে তাদের কাছ হতে টাকা নিয়ে নিজেদের মনমত মেমোরেন্ডাম চেন্জ করছে এবং নতুন ডিরেকটর নিয়োগ করছে এবং বিদায় করছে। মনে হচ্ছে যেন এই প্রতিষ্ঠান এই তিন প্রতারক চক্রের এবং বাকিরা সবাই এদের কর্মচারী। সকরের মতামত উপেক্ষা করে তারা তাদের মত করে চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

* ব্যাংক লোন নিয়ে প্রতারনা ঃ মোঃ জসিম উদ্দিন সুকৌশলে সবাইকে বুঝায় যে একটি ব্যাংক লোন নিলে আমাদের হাসপাতাল নিয়ে যে এই সমস্যা হচ্ছে তা আর থাকবে না এবং  আমরা হাসপাতালটিকে লাভের দিকে নিয়ে যেতে পারব। এই কথাটি অত্যান্ত কৌশলে সে সবাইকে বুঝায়। সবাই রাজি হয় । সমস্যা বাধে কার নামে ব্যাংক লোন নেয়া হবে এবং কে গ্যারান্টার হবে এবং হাসপাতালের নামে ব্যাংক লোন নেয়া হলে সেটির দায়ভার পড়বে প্রফসর ডাঃ খাইরূল ইমাম ও মোঃ জসিম ইদ্দিন এর নামে। যেহেতু চেয়ারম্রান ও এম ডি এরা। তখন সুকৌশলে মোঃ জসিম ইদ্দিন ব্যাংক লোন হতে সরে পড়ে।

* ম্যানেজমেন্ট নিয়ে প্রতারনাঃ এই প্রতারক চক্র কৌশলে তাদের তিনজনের জন্য তিনটি পোস্ট রেখে আর কাউকে কোন পোস্ট না দিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা শুরু করে এবং কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে চলে যেতে বলে এবং বলে এই তিনটি পদের বাহিরে আর কোন পদ হবে না। মনে হচ্ছে যেন তাদের বাপের টাকায় তারা হাসপাতাল করেছে। বাকিরা সবাই কর্মচারি। সবাই প্রতিবাদি হয়ে উঠলে কয়েক জনকে বিভিন্ কর্ম বন্টন করে দেয়ে এবং এই প্রতারক চক্র নিজেদের জন্য তিনটি পদ এমন ভাবে রাখে যাতে পুরো হাসপাতালের কন্ট্রোল তাদের হাতে থাকে। এবং এই অবস্থার জন্য তারা বিভিন্ন পদে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের অনুগত লোক নিয়োগ দিতে থাকে এবং তাদের বাড়তি সুবিধা দিতে থাকে।

* বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাএদের সাথে প্রতারনাঃ বৈশম বিরোধী ছা্এ আন্দোলনের সময় এই তিন প্রতারক আওয়ামীলিগ নেতা আহত ছাএদের হাসপাতালের ইমাজের্ন্সি ও ইনডোর চিকিৎসা সার্ভিস দেয়া নিয়ে প্রতারনা করেছে এবং যারা হাসপাতালে সেদিন ছাএদের চিকিৎসা সার্ভিস দিয়েছিল সেদিন এই প্রতারক চক্র কোনাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ কে দিয়ে তাদের গ্রেফতারের অপচেষ্টা করেছিল।

* পরিচালনা কমিটি নিয়ে প্রতারনাঃ হাসপাতাল পরিচালনার দায়িত্ব কোনভাবেই যাতে এই প্রতারক চক্র এর হাত ছাড়া না হয়, সেজন্  এই প্রতারক চক্র বিভিন্ন সময় বিভিন্ন টালবাহানা ও পন্থা অবলম্বন করত। এক পর্যায়ে এসে হাসপাতালের ডিরেকটরগন এই তিন প্রতারক চক্রের সমস্ত ছলচাতুরি ধরে ফেলে এবং এদের তির্যক ভাষায় তিরস্কার করা হয়। কিন্তু চোর না মানে ধর্মের কাহিনি। কারন এই তিন প্রতারক চক্রের না আছে মান সম্মান ও লজ্জা শরম। কারন যাদের এগুলো নেই তাদের তো কিছুই নেই। তারা চেয়ারম্রান, এম ডি ও ম্রানেজার ছাড়া আর কোন পদ হাসপাতালে রাখবে না এবং কোন পদ কাউকে দিবে না। কিন্তু কৌশলে কর্মবন্টন করে  সেই লোকদের তাদের অধীনে রাখবে।

* হাসপাতালের অডিট করা নিয়ে প্রতারনাঃ এই তিন প্রতারক চক্র মিলে রয়েল ম্রাক্স  হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার নামে প্রায় এক কোটি টাকা আত্নসাৎ করে ফেলে। ডিরেকটরগন যখন এটা বুঝতে পারে এবং হাসপােতালে অডিট করতে চায় তখন শুরু হয় এই  প্রতারক চক্র এর হোতা বা মাষ্টারমাইন্ড মোঃ জসিম উদ্দিন এর কুকির্তি সমূহ বা তার ছল চাতুরি সমূহ। যখন সকলেই বুঝতে পারে কেন মোঃ জসিম উদ্দিন সহ এই তিন প্রতারক চক্রকে এ্রারোমো হাসপাতাল, হলি এইড হাসপাতাল এ কেন মারধর করে অপমানিত করা হয়। কেন হাসপাতালে বেধে রাখা হয়। কেন এদের জেলে দেয়া হয়। কেন এদের নামে মামলা হয়। কেন এদের নামে চেক জালিয়াতির মামলা করা হয়। কেন এরা এর প্রতিবাদ করেনি । এরা কেন এটা মেনে নিয়েছে। আসা করি বুঝতে পারছেন।  

 * হাসপাতালে অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ে প্রতারনাঃ মানেজার মোঃ জিল্রুর রহমান  হাসপাতালের সুন্দরী মেয়ে স্টাফ বিশেষ করে আয়া, বুয়া, স্রাম্পল কালেকশন ও রিসিপশনিষ্ট মেয়ে, যারা অভাবী ও ডিভোর্স এদের টার্গেীট করে অসামাজিক কার্যকলাপে বাধ্র করত নইলে চাকুরি হতে বের হরে দেয়া হবে বলে ভয় দেখায় এবং বের করে দেয় কথা না শুনলে। এরকম তিনটি প্রমান আমাদের হাতে িএসেছে অসামাজিক কার্জকলাপের যার সাথে এই প্রতারক চক্র জড়িত।

*গ্রুপিং করে প্রতারনা করাঃ  হাসপাতালের কেউ তাদের বিরুদ্ধচারন করলে মোঃ জসিম উদ্দিন কৌশলে তাদের মাঝে গ্রপিং করে তাদের ছএভঙ্গ করে দিতে এবং তাদের সকলের সামনে অপমান ও অপদস্থ করতে চাইত। ফলে কেউ তাদের বিরুদ্ধচারন করতে চাইত না। তাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলত। এরকম পরিস্তিতি হওয়ায় অনেকে এখান হতে ডিরেকটরশিপ বাদ দিয়ে টাকা নিয়ে চলে যাওয়া সম্মানের বলে ভাবত এবং মোঃ জসিম উদ্দিনকে বলত ভাই আমার টাকাটা দিয়ে দেন আমি চলে যাব এখানে থাকব না।

Monday, January 27, 2025

চেয়ারম্যান (প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম), এম ডি (মোঃ জসিম উদ্দিন) ও ম্যানাজার (মোঃ জিল্লুর রহমান) এর নেতৃত্বে ডেমড়ার, কোনাপাড়ার রয়েল ম্যাক্স হাসপাতালে চলছে অপচিকিৎসা ও কমিশনের নামে লুটপাটের বানিজ্য


ঢাকার ডেমড়ার কোনাপাড়া মেইন রোডের সাথে কাচা বাজার সংলগ্ন বা লাজ ফার্মার সাথেই অবস্থিত রয়েল ম্যাক্স হাসপাতাল লিমিটেড।

এই হাসপাতালের তিনজন দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তি চেয়ারম্যান - প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম, এম ডি - মোঃ জসিম উদ্দিন এবং ম্যানেজার - মোঃ জিল্লুর রহমান। এই তিনজনের চেহারই বলে দেয় এরা কেমন প্রকিতির মানুষ। আসুন এই তিন জনের কার্যকলাপ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম একজন ধান্ধাবাজ, প্রতারক ও মিথ্যাবাদী লোক। য়িনি সবসময় সকল কাজের মাস্টার মাইন্ড মোঃ জসিম উদ্দিন এর কথায় চলেন।  এম ডি মোঃ জসিম উদ্দিন ও কৌশলে প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমামকে খুশি রেখে নিজের স্বার্থ কৌশলে ম্যানেজার মোঃ জিল্লুর রহমানকে দিয়ে আদায় করে নেন। ফলে হাসপাতালের কেউ বুজতে পারে না কোথা হতে কি হচ্ছে।হাসপাতালে কোন সমস্যা হলে বা টাকা পয়সা জনিত সমস্যা হলে উনি মোঃ জসিম উদ্দিন এর পরামর্শে হাসপাতালে আসা বন্ধ করে দেন এবং এই সুয়যাগে এমডি ও ম্যানেজার মিলে উনার বন্ধনা শুরু করেন। সকলকে উনার প্রয়োজনিয়তা বুঝিয়ে রেনদেন ক্লিয়ার করে উনার হাতে পায়ে ধরে াাবার উনাকে নিয়ে আসেণ। আস্তে আস্তে পরিচালকগনের উনার ব্যাপারে ঘোর কাটতে শুরু করে, যখন পরিচালকগন বুঝতে পারে  যে উনি একজন প্রতারক, ধান্ধাবাজ ও মিথ্যাবাদী লোক। উনাকে এলাকার লোকজন এবং রোগীরা হেমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে চেনেন এবং এ নামে খুবই পরিচিত লাভ করেছেন। কেননা উনি ইন্টারনাল মেডিসিন এর চিকিৎসক হয়ে অর্থোেপেডিক, নিউরোলজি, গাইনী, রিউমাটোলজি, ফিজিক্যাল মেডিসিন, ফিজিওথেরাপি, মেডিসিন সক সকল প্রকার রোগী দেখে থাকেন আর এ ব্যাপারে তাকে সহযোগীতা করেন মোঃ জসিম উদ্দিন ও মোঃ জিল্লুর রহমান। হাসপাতালের প্রায় ৮০ ভাগ রোগী উনি দেখেন।যেখানে উনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে রোগী পান গড়ে ৪-৬ টা এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার রোগী পান গড়ে ৪-৫টা । অথচ রয়েল ম্যাক্স হাসপাতালে রোগী পান ৩০-৪০ জন গড়ে। কারন টা কি?

খোজ নিয়ে জানা গেছে উনি রোগী বেশী দেখলে বা ইনকাম বেশী হলে, এর একটা  পারসেনটিজ এমডি মোঃ জসিম উদ্দিন এবং ম্যানেজার মোঃ জিল্রুর রহমান বিকাশ এর মা্যেমে পেমেন্ট পেয়ে যান। কেউ বুঝতে পারে না। দ্বিতীয় লাভ উনি এমন কিছিু টেস্ট রিখেন যেগুলো ওখানে হয়না। ওগুরেঅ করতে হয় পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার হতে। সেগুলো হতে একটা পারসেনটিজ পান কমিশন বাবদ মোঃ জসিম উদ্দিন ও মোঃ জিল্লুর রহমান। গাইন ডাক্তার বেলাকে দিয়ে াপারেশন করানোর সময় ডাঃ বেলার সাথে কন্টাক আছে কোন কোন অপারেশনে তাকে কত দিতে হবে। মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্রুর রহমান রোগীদের সাথে সেইভাবে কনটাক করে , কনটাকের টাকা ডাঃ বেলাকে দিয়ে দেয় এবং বাকি টাকা মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্লুর রহমান ভাগ করে খায়। এখানেই শেষ নয় , এই রোগীটি অমুক ফার্মেসি হতে পাঠিয়েছে, তাকে কমিশনদেয়ার নাম করে িএই টাকা নিজেই খেয়ে ফেলে। শুধুই নাম ভাঙ্গয়ে এসব করে সকলকে প্রতারিক করে। েএসব জেনেও চেয়ারম্যান কোন পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত নেননি। রিসিপশনের সাথে লাগানো ভিজিটিং কার্ড ফেল্ডারটি বাউচার করে সেই টাকা উঠিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান খেয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে কোম্পানির লোক হতে আসল ঘটনা জানার পর , যখন সবাই বুঝতে পারে এটি ঔষধ কোম্পানি দিয়েছে এবয় এটির বাউচার এ ব্যবস্থা করে দিয়েছে মোঃ জসিম উদ্দিন।  এখানেই মেষ নয় হাসপাতাল হতে প্রায় ২লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা চুরির দায়ে মোঃ জিল্লুর রহমানকে বের দেয়া হলে মোঃ জসিম উদ্দি এবং প্রফেসর ডাঃ খাইরূল ইমাম এর ক্ষমতা ও রোগী সংখ্যা কমে গেলে এদর ইনকাম কমে যায়। তখন প্রফেসর ডাঃ খাইরূল ইমাম চেম্বার করা বন্ধ করে দেন এবং মোঃ জসিম উদ্দিন খেশলে একটি মিটিং এর ব্যবস্থা করে প্রফেসর ডাঃ খাইরূল ইমাম এর নাম বিক্রি করে মোঃ জিল্লুর রহমানকে আবার হাসপাতালে প্রবেশ করান। এরপর হয় , াাসল থেলা শুরু। দির্ঘদিন না খেতে পেরে এরা তো অভুক্ত। তাই আবার নতুন করে ৫জন ডিরেক্টর ঢুকিয়ে ৭৫ লাখ টাকা এই জন বাগ বাটোয়ারা করে খেয়ে ফেলেন। কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে।

এখানেই শেষ নয় এরপর শুরু হাসপাতালের গরিব, নিরিহ ও দরিদ্র নারী স্টাফদের নিয়ে ভোগ করা বা ফুর্তি  করা। যেটা হাসপাতালের যেসকল স্টাফ দেখে ফেলে কৌশলে তাকে চাকুরি হতে বরখাস্ত করে। বা অপবাদ দিয়ে বের করে দেয়।

আবার এরাই মুখে কোরঅন ও হাদসের কথা বলে িএবং মানুষকে ধর্ম শিক্ষা দেয়। কি বিচিএ এদের চরিএ । ভিতরে এক রুপ এবং বাহিরে আরেক রুপ। বুঝা বড় দায়। 

মোঃ জসিম উদ্দিন কৌশলে হাসপাতাল শুরুর সুচনালগ্ন হতে প্রফেসর ডাঃ খাইরূল ইমামকে চেয়ারম্যান পদে রেখে মেমোরেন্ডাম করে ফেলেন কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে। পরবর্ত ীতে হাসপাতালের ডেকোরেশন ও মেশীনারীজ ক্রয় বাবদ কৌশল অবলম্বন করে প্রায় তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন । যার হিসেব আজ পর্যন্ত বোর্ড মিটিং এ দেননি। কয়েকবার অডিট করার পরামর্শ দেয়া হলে তিনি এড়িয়ে যান এবং বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। পবর্তীতে উনার বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ লাখ টাকার দুর্নিতির অভিযোগ উঠে ডেকোরেশন ও মেশিনারীজ ক্রয় বাবদ। তখন উনি পরিচালকদের বিভিন্ন গ্রুপে বিভিক্ত করে ফেলেন কৌাশলে। হাসপাতালের একটি পরিচালনা কমিটি করতে বললে উনি কৌশলে এইড়য়ে যান এবং যা আজ পর্যন্ত উনি করতে দেননি। যে উনার বিরুদ্দাচারন করত কৌশলে উনি তাকে বের করে দেবার বিভিন্ন প্লান করেন এবং বের করতে সচেষ্ট চেষ্টা করেন। হাসপাতালের সকল পরিচালকগন যখন বুঝতে পারেন সকল নষ্টামির মাস্টার মাইন্ড এম ডি মোঃ জসিম উদ্দিন , তখন উ কৌশলে হাসপাতালে আসা কমিয়ে দেন এবং পেছন হতে ম্যানেজার মোঃ জিল্লুর রহমানকে দিয়ে গুটি চালতে থাকেন। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে াপমান, অপদস্থ ও মারধরের মিখার হওয়ার পরও উনি একই রকম আছেন। এনার কোনপ্রকার অনুশোচনা বা অনুতপ্ত নেই। বলেন াামিতো ভাই একজন সহজ সরল মানুষ । আমাকে নিয়ে এরকম কেন আপনার করছেন । আপনাদের কোথাও ভুল হচ্ছে। আমাকে ভুল বুঝতেছেন। আমি সবসময় আপনাদের উপকারের জন্য চিন্তিা করি আর আপনারা আমাকে আপনাদের শত্র ভাবেন।

ডাঃ বেলাকে দিয়ে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা করে বহ্র টাকা মোঃ জসিম উদ্দিন এবং মোঃ জিল্রুর রহমান ইনকাম হরে যাচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে একজন রোগী আপমাদের জানান উনার জরাযু অপারেশরন করতে গিয়ে ডাঃ বেলা উনার মুএনালী কেটে ফেলে এবং পরবর্তীতেেউনি মুগদা মেডিকেল করেঝ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন। আরেকজন রোগী াামাদের জানান ডাঃ বেলা াালট্রাসনোগ্রাম করে প্রেগনেন্ট রোগীকে বলেন আপনার পেটের বাচ্চা মারা গেছে এবং মোঃ জিল্লুর রহমান কিট কিনে এন মহিলাকে খাইয়ে দেন এবারশন করার জন্য। মহিলা পাশ্ববর্ত ী হাসপাতালে আলট্রা করে জানতে পারেন তার পেটের বাচ্চা এখোনো জীবিত। পরবর্তীতে উনি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ াাচেণ এবং বর্তমানে ৮ মাসের প্রেগনেন্ট উনি।

হাসপাতাল হতে ভর্তিকৃত রোগী রিলিজ দিয়ে , সেই বকেয়া টাকা মোঃ জসিম উদ্দিন ও মোঃ জিল্রিুর রহমান উঠিয়ে খেয়ে ফেলেন।

Saturday, January 25, 2025

চেয়ারম্যান (প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম), এম ডি (মোঃ জসিম উদ্দিন) ও ম্যানাজার (মোঃ জিল্লুর রহমান) এর মদদে ডেমড়ার, কোনাপাড়ার রয়েল ম্যাক্স হাসপাতালে চলে অসামাজিক কার্যকলাপ ও অনৈতিক কর্মকান্ড

 


ঢাকার ডেমড়ার কোনাপাড়ায় অবস্থিত রয়েল ম্যাক্স হাসপাতাল। এই হাসপাতালটির চেয়ারম্যান মগবাজার  ইস্কাটন এলাকার বাসিন্দা প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম। যিনি আদ দ্বিন হাসপাতলের মেডিসিন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ৫ই আগস্টের পর আদ দ্বিন হাসপাতাল হতে চাকুরিচ্যুত ও বহিস্কৃত হন। , এম ডি বাশেরপুল এলাকার বাসিন্দা মোঃ জসিম উদ্দিন। যিনি ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল কাকরাইলে কর্মরত ছিলেন। ৫ই আগস্টের পরবর্তী  সময়ে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালের কর্মচারীদের হাতে অপমানিত ও অপদস্ত হন। পুনরায় আবার ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনে কর্ম চারীদের হাতে অপমান , অপদস্থ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এবং ডিউটি স্টপ করে রাখা হয়। ম্যানেজার বাশেরপুল এলাকার বাসিন্দা মোঃ জিল্লুর রহমান ডেমড়া, স্টাফকোয়াটার ও কোনাপাড়া এলাকায় প্রতারক, বাটপার ও লম্পট নামে পরিচিতি।

এই তিনজনই একটি প্রতারক চক্র। যাদের মুল ব্যবসা হচ্ছে হাসপাতালের নামে প্রতিষ্ঠান করে মানুষের টাকা-পয়সা নিয়ে অনিয়ম, দুর্নি তি ও লুটপাটের ব্যবসা করা। এই তিনজনের ই মান-সম্মান ও লজ্বা-শরম ছাড়া বাকি জিনিস গুলো রয়েছে। কেবল মান-সম্মান ও লজ্বা-শরমের অভাব রয়েছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে এই তিনজনিই একসাথে ছিলেন ডেমড়ার এ্যারোমো হাসপাতালে। সেখান থেকে আর্থিক অনিয়ম, লুটপাট ও দুর্নিতির কারনে বের করে দেবার পর, আবার করেন স্টাফ কোয়াটার এলাকায় হলি এইড হাসপাতাল। এখানে এদের  ধরে হাসপাতালের মধ্যে মারধর করা হয় এবং চেয়োরম্যানের নামে পাচ লাখ টাকার চেক জালিয়াতির মামলা করা হয় এবং মোঃ জিল্লুর রহমানকে জেলে পাঠানো হয় এবং মোঃ জসিম উদ্দিন পালিয়ে যায় এলাকা ছেড়ে। কিন্তু নিয়তির কি নির্মম পরিহাস এরা পুনরায় আবার এসে কোনাপাড়ায় করে রয়েল ম্যাক্স হাসপাতাল এবং পুনরায় একই রকম কাজ পুর্বের ন্যায়। আবার একই রকম ঘটনা।আর্থিক অনিয়ম, দুর্নিতি ও লুটপাট। এখানেই শেষ নয়। এবার বেরিয়ে আসে খোদ হাসপাতালের মধ্যে এই তিনজনের বিরুদ্ধে অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের ভয়াবহ ইতিহাস। যা থেকে বাদ যায়নি হাসপালের আয়া-বুয়া, রিসিপশন, স্যাম্পল কালেকশন ও, নার্স  দের সাথে অসামাজিক কর্মকান্ডের ইতিহাস।

এ ব্যাপারে মোঃ জিল্লুর রহমানের সাথে কথা হলে প্রথমে এড়িয়ে যান। পরে বুঝতে পেরে নিজ ভূল স্বিকার করেন। খোদ হাসপালের মধ্যে স্টাফগন এর প্রতিবাদ করেন। ফলস্রুতিতে তাদের চাকুরি হারাতে হয়। অনেকে চাকুরি বাচাতে নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে সব স্বিকার করেন। এ তালিকায় রয়েছে সেকল মহিলা স্টাফ ও নারী যারা একমাএ উপর্জন ক্ষম সংসারে বা যার সংসারে অভাব ও আর্থিক সংকট রয়েছে। ্সকল নারী স্টাফদের বেছে বেছে নিয়োগ দেয়া হয় এবং সুকৈাশলে এদর সাথে এরা অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকান্ড করে আসছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে এই প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল পরিচালনার নামে এই সকল কাজ করে আসছে। প্রমানের অভাবে এদের কেউ কিছু করতে পারেনি এতদিন। এখন সময় এসেছে এদের মুখোশ সবার সামনে প্রকাশ করার। 

এদের মধ্যে সকল কাজের  মাস্টার মাইন্ড হলেন মোঃ জসিম উদ্দিন। যিনি অত্যান্ত সুকৈাশলে সকল কাজ করে থাকেন । কোন প্রকার সমস্যা হলে সরে পরেন। সামনে সাইনবোর্ড  হিসেবে ব্যবহার করেন প্রফেসর ডাঃ খাইরল ইমামকে। এবং কার্জ সমাধা করেন মোঃ জিল্লুর রহমানকে দিয়ে। ফলে কেউ বুঝতে পারে না। 

একজন প্রফেসর এবং ডাঃ কতটা নিচে নামলে একই কাজ বার বার এদের সাথে থেকে করছেন। কারন এনার মান-সম্মান ও লজ্বা বোধ নাই। থাকলে একই কাজ সুস্থ মস্তিস্কের একজন লোক একই গ্রপের সাথে বার বার করতে পারেন না। 

মোঃ জসিম উদ্দিন অত্যান্ত ধুরন্ধর, নির্লজ্ব, বেহায়া ও অসভ্য প্রকিতির লোক। যে কিনা ভদ্রতার মুখোশ পরে চলাফেরা করে। যার মান সম্মান ও লজ্বা শরম বলতে কিছুই নাই। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে খোজ নিয়ে জানা গেছে যে, সে খুবই নিচু টাইপের একজন লোক। যে কথার ফুরছড়ি জানে এবং পাশাপশি তেল মারতে জানে খুবই ভালভাবে। কিন্তু সে হয়ত জানে না সব জায়গায় তেল চলে না। ঢাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে কর্মকর্তা ও কর্মচারী গনকে এর ব্যপারে জিগ্গেস করা হলে প্রায় প্রত্যেকে এর ব্যাপারে এমন সব তথ্য দেন , যা শুনলে মাথা হেট হয়ে যায়। অবাক লাগে এই ধরনের এ্কটি লোক ইসলামী ব্যাংক হাসপালে চাকুরি করে কি করে।

মোঃ জিল্লুর রহমান লজ্জা শরম ও মান সম্মান বিবজিত একজন মানুষ। যাকে চুরির দায়ে মেরে হাসপাতাল হতে বের করে দেবার পর , আবার এসে একই জায়গায় চাকুরি করছেন  এবং এই জায়গায় আবার তাকে পুনবহাল করেন এম ডি মোঃ জসিম উদ্দিন। কারন মোঃ জিল্লুর রহমান না থাকলে নারী ও হাড়ির স্বাদ পাবেন কি করে এবং কে ম্যানেজ করে দিবে তাকে। প্রফেসর ডাঃ খাইরূল ইমাম বেইজ্জতি হয়ে বের হয়ে যাবার পর আবার এসে পুনরায় বসছেণ কারন মোঃ জসিম উদ্দিন তাকে আবার হাতে ও পায়ে ধরে নিয়ে এসেছেন। কি সুন্দর এদের চরিএ মাধুর্এই তিনজন প্রান করে একজন বের হন তো সকলকে বুঝায় ইন না থাকলে চলবে না , তাকে নিয়ে আসতে হবে। সবাই মিলে চলেন মাফ চেয়ে হাতে পায়ে ধরে আনতে হবে। কি সুন্দ েনাটক চলে। 

একজন মানুষের পার্সোনালিটি, ওয়েট, লজ্বা শরম ও মান সম্মান না থাকলে যা হয় আর কি। এদের তিন জনই হলেন একই টাইপের লোক। এরা বার বার একই কাজ করে যাচ্ছেন। কারন এরা এত কোন লজ্বা শরম বোধ করে না। লজ্বা শরম বোধ তখনই করবে , যখন এটা তাদের থাকবে। না খাকলে কোথা হতে করবে।


Monday, January 13, 2025

জুলাই - 24 এর গনহত‍্যায় নেতৃত্ব দানকারীরা এখনও বহাল তবীয়তে ইসলামী ব‍্যাংক হাসপাতাল সহ অন‍্যান‍্য হাসপাতালে। তাহলে এই স্বাধীনতা ও গনহত‍্যার মুল‍্য কোথায়।- বি পি আর সি



জুলাই - 24 এর গনহত্যায় নেতৃত্ব দানকারীরা এখনও বহাল তবীয়তে ইসলামী ্যাংক হাসপাতাল সহ অন্যান্য হাসপাতালে। তাহলে এই স্বাধীনতা গনহত্যার মুল্য কোথায়।

প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম, যিনি আদ দ্বীন হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে অধ্যাপক বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে আদ দ্বীন হাসপাতাল হতে তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়, জুলাই 24 ছাএ জনতার গনহত্যায় নেতৃত্ব দেয়ার কারনে। অথচ ইনি এখনও নিয়মিত চেম্বার করে যাচ্ছেন ইসলামী ্যাংক হাসপাতাল নয়াপল্টনে শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

অত্যান্ত ধুরন্ধর প্রতারক পক্রিতির এই লোক কৌশলে মেডিসিন কনসালটেন্ট হয়েও মেডিসিন, অর্থোপেডিক, নিউরোলজি, গাইনি, স্পোর্টস সহ সব রকমের রোগী দেখেন শুধুমাএ মোঃ জসিম উদ্দিন মোঃ জিল্লুর রহমান এর সহযোগীতায় বিভিন্ন হাসপাতাল। পাশাপাশি রোগীদের টেস্টের নামে বিশাল অঙ্কের টাকা নামিয়ে ফেলেন এবং ইচ্ছেমত ঔষধ কোম্পানীর ঔষধ লিথে তাদের কাছ হতে এবং হাসপাতাল হতে কমিশন বানিজ্য করে আসছেন।

মোঃ জসিম উদ্দিন ছিলেন রিসিপশনিষ্ট ইসলামী ্যাংক হাসপাতাল মুগদায়। কনসালটেন্টের সাথে ঔদ্যত্তপুর্ন আচরনের কারনে তাকে ট্রান্সফার করা হয় ইসলামী ্যাংক হাসপাতাল চট্রগামে। সেখান থেকে এসে জয়েন করেন ইসলামী ্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল কাকরাইলে। তখন হাসপাতাল এস আলম এর দখলে। অত্যান্ত চতুর লোকটি তখন এস আলমের সাথে কৌশলে তাল মেলানো শুরু করেন। এস আলমকে ্যবহার করে রিসিপশনিষ্ট হতে ্যাডমিনে আসেন পদবী চেন্জ করে একই গ্রেডে। শুরু হয় ্যাডমিন মোঃ জসিম উদ্দিন এর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ইসলামী ্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল কাকরাইলে। স্টাফগন ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করে হাসপাল হতে বের করে দেন। ডিউটি স্টপ করে দেয়া হয়। 5 আগষ্ট পরবর্তী সময়ে চাকুরি পাওয়ার জন্য আই বি এফে যায়, ছাএ জনতা হাসপাতালের ষ্টাফগন তাকে ধরে জামাই আদর করে। পরবর্তীতে পুনরায় আবার কাকরাইলের শাখায় জয়েন করতে গেলে পুনরায় তাকে কাকরাইলের ষ্টাফগন জামাই আদর করে। পরবর্তীতে উর্ধবতন কতৃপক্ষকে ধরে বর্তমানে এই চতুর চাটুকার ইসলামী ্যাংক হাসপাতাল মিরপুরের কার্ডিয়াকে ডিউটি করে যাচ্ছেন।

মোঃ মামুনুল হক আছেন ইসলামী ্যাংক হাসপাতাল মুগদা শাখার ্যাবরেটরি বিভাগে। তার আয়ের মুল ্যবসা হচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালের ্যাব বিভাগ। ্যাবের মেশীনারীজ কোম্পানী হতে ক্রয় করা, রিএ্যাজেন্ট ্যবসা, এবং কৌশলে ্যাব এর টেষ্ট বাহিরের ্যাব হতে করানো। কেননা হাসপাতাল যতদিন থাকবে ্যাবের মেশীনারীজ চালানোর জন্য কম্পানীর রিএ্যাজেন্ট লাগবে। অন্য কোনো কম্পানিরটা দিয়ে হবে না। ফলে কম্পানির কাছ হতে কমিশন অটো আসবে। কেউ বুঝবে না , ধরতে পারবে না। কি চমৎকার কৌশল। কমিশন চলতে থাকে কম্পানির কাছ হতে, রিএ্যাজেন্ট হতে এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার হতে।

এরা মানুষের কাছে ফেরেশতা সেজে ইসলামী ্যাংক হাসপাতালের সাইনবোর্ড ্যবহার করে মানুষকে সুকৌশলে প্রতারিত করে আসছে এবং মানুষকে শয়তানের ধোকায় ফেলছে। এই লোকগুলোর মান- সম্মান লজ্জা- শরম ছাড়া বাকি সবই আছে। এরা প্রয়োজনে মোনাফেক হয় এবং প্রয়োজনে মুমিন হয়। সবই শুধুমাএ স্বার্থের জন্য। বাহির হতে এদেরকে ফেরেশতা মনে হবে। এদের ্যাপার সকলকে সাবধান সতর্ক হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

এই তিন প্রতারক চক্র ডেমরার ষ্টাফ কোয়াটার এলাকায় হলি এইড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে, সুকৌশলে চেয়ারম্যান, এম ডি ্যাব ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে নেয়। অন্যান্য পরিচালকগনকে কিছু বুঝতে না দিয়ে। ্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয় মোঃ জিল্লুর রহমানকে।

মোঃ জিল্লুর রহমান যার সাথে প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমামের সম্পর্ক ডেমরার ্যারোমো হাসপাতাল হতে। যেখান হতে আর্থিক অনিয়ম দুর্নিতির দায়ে প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম মোঃ জিল্লুর রহমানকে বের করে দেয়া হয়।

হলি এইড হাসপাতালে ্যাপক অনিয়ম, দুর্নিতি, লুটপাট কমিশন বানিজ্যের কারনে অন্যান্য পরিচালকগন এক হয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান মোঃ জসিম উদ্দিনকে ধরে মারধর করে এবং মোঃ জিল্লুর রহমানকে জেলে পাঠিয়ে দেয়। মোঃ জসিম উদ্দিন কৌশলে পালিয়ে যায়। চেয়্যারম্যান প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমামের এর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা করা হয়।

এখান হতে বের হয়ে এরা পুনরায় একই ব্যবসার উদ্যোগ নেয় এবং বেছে নেয় ডেমড়ার কোনাপাড়া এলাকাকে। এখানেও একই প্রক্রিয়ায় মানুষের কাছ হতে টাকা পয়সা নিয়ে তৈরি করে রয়েল ম্যাক্স হাসপাতাল। একই

পক্রিয়ায় প্রফেসর ডাঃ খাইরুল ইমাম নিজেকে চেয়ারম্যান, মোঃ জসিম উদ্দিন নিজেকে এম ডি, মোঃ জিল্লুর রহমান নিজেকে ম্যানেজার করে মেমোরেন্ডাম করে ফেলে, পরিচালকগনের অনুমতি না নিয়ে। হাসপাতালের ডেকোরেশন মেশিনারীজ ক্রয় বাবদ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার দুর্নিতি করে এই প্রতারক চক্র। হাসপাতালের একাউন্ট নিজেদের নামে করে কিন্তু এ্যাকাউন্টে কোনো টাকা জমা না দিয়ে , টাকা নিজেদের কাছে রাথে। হাসপাতালের কোনো পরিচালনা কমিটি না করে এই তিনজন সকলের মতামতকে উপেক্ষা করে হাসপাতাল পরিচালনা করতে থাকেন। হাসপাতালে কোনো নিয়োগ কমিটি না করে এই তিনজন নিজেদের মনমত লোক নিয়োগ দেন ছা্টাই করেন। মাসিক কোনো আয় ব্যায়ের কোনো হিসেব এরা বোর্ড মিটিংয়ে দেয় না বা প্রয়োজন মনে করে না। আর্থিক অনিয়ম, লুটপাট প্রতারনার মাধ্যমে এরা হাসপাতালটি পরিচালনা করে আসতেছিল। মাস্টারমাইন্ড মোঃ জসিম উদ্দিন এম ডি কৌশলে অন্যান্য পরিচালকগনেএর মধ্যে গ্রুপিং করে দিয়ে স্বার্থ হাসিল করতে চেস্টা চালান। পরবতীতে তার সকল চালাকি ধরা পড়ে গেলে এবং অন্যান্য পরিচালকদের কাছ হতে কৌশলে সরে যাবার জন্য তার বউকে পরিচালক পদটি ট্রান্সফার করে দেন এবং পেছন হতে সমস্ত কল কাঠি নাড়তে থাকেন।

মোঃ জিল্লুর রহমান যার কোনো টাইপ নাই। না আছে ক্যারেকটার বা চরিএ, না আছে লজ্জা-শরম, না আছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, না আছে আত্ন-সম্মানবোধ। যিনি এ্যারোমো হাসপাতাল হতে আর্থিক অনিয়ম চুরি এবং লুটপাটের অভিযোগে বের করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে হলি এইড হাসপাতাল হতে মেরে বের করে দেয়া হয়েছে এবং প্রায় দির্ঘদিন জেল খাটা আসামি। জেল হতে বের হয়ে একই ব্যবসা আবার শুরু করেন। রয়েল ম্যাক্স হাসপাতালে প্রায় ২লক্ষ ৮৬ হাজার টাকার চুরির অভিযোগে তাকে বের করে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান এম ডি কৌশলে আবার তাকে হাসপাতালে ঢুকানো হয়। হাসপাতালে ঢুকে হাসপাতালের আয়া কোহিনুর এর সাথে টয়লেটে অনৈতিক কর্ম কান্ড করা অবস্থায় ধরা পরে। এখানেই শেষ নয় , ডিভোর্স ধারী প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে বা মহিলাদের হাসপাতালে স্টাফ হিসিবে নিয়োগ দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল দির্ঘদিন ধরে। বিভিন্ন ফার্মেসি পল্রি চিকিৎসকদের কাছ হতে রোগী এসেছে বলে গাদের নামে কমিশন উঠিয়ে খেয়ে ফেলতেন। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি হতে হাসপালের জন্য জিনিসপাএ নিয়ে বাউচার করে সেই টাকা নিজে খেয়ে ফেলতেন। এসকল কাজে তার সহযোগী ছিলেন-চেয়ারম্যান, এম ডি, ল্যাব ইনচার্জ এ্যাকাউন্ট ইনচার্জ। এদের ম্যোনেজ করে তার দিনকাল ভালই চলছিল। কিন্তু ধরা পরে যান পরিচালক মোঃ শাহ আলম , মোঃ কামাল উদ্দিন, মোঃ ইয়াকুব আলী ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান এর কাছে।

এই তিন গুনধর ব্যক্তি চেয়ার ম্যান, এম ডি, মানেজার জুলাই ২৪ এর চাএ জনতার গনহত্যাকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের এজেন্ট বাস্তবায়ন করেছেন।

কোনপাড়ার আক্রান্ত আহত ছাএদের যখন রয়েল ম্যাক্স হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন এদের চিকিৎসা করেন ইমাজেন্সি মেডিকেল অফিসার পরিচালক ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান এবং পরিচালক প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর।

এরা এদর দুইজনকে ব্যাপারে সতর্ক করে দেন রকম রোগী না দেখার জন্য এবং থানা হতে পুলিশ এন এদের এ্যারেস্ট করানোর চেষ্টা পর্যন্ত চালিয়ছিলেন। সুবিধা করতে না পেরে পরিচালক ডাঃ মোঃ আসদুজ্জামানকে হাসপাতাল হতে বের করে দেন এবং প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর এর চেম্বার বন্ধ করে দেন এবং তাকে হাসপাতাল হতে বের করে দেয়ার জন্য নানা রকম হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন।

ইতমধ্যে এরা বোর্ড মিটিং ছা্ড়াই আরও পরিচালক নিয়ে , নতুন মেমোরেন্ডাম করে বিশাল অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম লুটপাট করেছেন এবং পরিচালক মোঃ শাহ আলম পরিচালক আসাদুজ্জামান নুরকে বের করে দিয়েছেন।

 

রোগ নিয়ে বিভিন্ন কথা ও আলাপ এবং আলোচনা - বি পি আর সি হেল্থ সার্ভিস - প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর। বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি।

রোগ নিয়ে বিভিন্ন কথা ও আলাপ এবং আলোচনা                                                                                               ...