Monday, December 30, 2024

বাংলাদেশ পেইন, ফিজিওথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন সেন্টার - বি পি আর সি

 বাংলাদেশ পেইন, ফিজিওথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন সেন্টার  (বি পি আর সি )  

এখন আপনাদের সেবায় ঢাকার প্রানকেন্দ্র মালিবাগ মোড় পুর্ব নাখালপাড়ায়।

* আমাদের সার্ভিস সমূহঃ

- মেডিকেল কনসালটেন্সি সার্ভিস

- ফিজিওথেরাপি সার্ভিস

- অকুপেশনালথেরাপি সার্ভিস

- স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি সার্ভিস

- জয়েন্ট ইনট্রা-আর্টিকুলার ইনজেকশন

- স্পাইনাল ইন্টারভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্ট 

* আমাদের সেবা সমূহঃ

- ইমাজের্ন্সি সেবা

- আউটডোর সেবা

- ইনডোর সেবা

- হোম পেশেন্ট সার্ভিস সেবা

ব্যস্ততম ঢাকা শহরে নিশ্চিন্তে নিরাপদে ঘরে বসেই আপনি পেতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ফিজিওথেরাপি + অকুপেশনালথেরাপি + স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির সকল সেবা সমূহ।

এছাড়াও আপনি পেতে পারেন আমাদের সেন্টারের মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত টেলিমেডিসিন সার্ভিস সেবা।

আমাদের কল সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করুন- সার্ভিস পেতে

মোবাইলঃ ০১৩১৬১৭৪৩৭১

আমরা যে সকল সার্ভিস রোগীদের দিয়ে থাকিঃ

✅মেডিকেল কনসালটেন্সি সার্ভিস

✅অর্থোপেডিক ফিজিওথেরাপি

✅নিউরোলজিক্যাল ফিজিওথেরাপি

✅গাইনোকোলজিক্যাল ফিজিওথেরাপি

✅জেরিয়াট্রিক ফিজিওথেরাপি

✅স্পোর্টস ফিজিওথেরাপি

✅পেডিয়াট্রিক ফিজিওথেরাপি

✅সফট টিস্যু ইনজুরির ফিজিওথেরাপি

✅কার্ডিও-ভাসকুলার ফিজিওথেরাপি

✅কার্ডিও -রেসপিরেটরি ফিজিওথেরাপি

✅অকুপেশনাল থেরাপি

✅স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি

✅স্ট্রোক ম্যানেজমেন্ট থেরাপি

✅পার্কিনসন্স ডিজিজ ম্যানেজমেন্ট

✅সেরিব্রাল পালসি থেরাপি

✅জম্মগত প্রতিবন্ধি বিকলাঙ্গ শিশুর চিকিৎসা

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর

বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি

কনসসালটেন্ট বিভাগীয় প্রধান

ফিজিওথেরাপি মেডিসিন এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন বিভাগ

ওয়ান হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড, মালিবাগ মোড়, ঢাকা

আধুনিক, মান-সম্মত এবং একদল অভিজ্ঞ দক্ষ টিমের সমন্বয়ে ঢাকা শহরে আমরাই দিচ্ছি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফিজিওথেরাপি + অকুপেশনাল থেরাপি + স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি হোম সার্ভিস।

👩‍🦳পুরুষ মহিলা রোগীদের জন্য অভিজ্ঞ দক্ষ পুরুষ মহিলা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।

বিস্তারিত জানতে আজই যোগাযোগ করুন।

এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে

📞কল করুনঃ ০১৬৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭৩৮৩৯৪৩০৯

✉️ইনবক্স মেসেজ করুন।

🟢Whatsapp: ০১৩১৬১৭৪৩৭১

( কল করার সময়ঃ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকাল টা হতে রাএ টা পর্যন্ত। (শুক্রবার বন্ধ)

📍বাংলাদেশ পেইন, ফিজিওথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন সেন্টার

২৬০/ ঢাকা বিজ্ঞান কলেজ বিল্ডিং এর ৫ম তলা বা লিফট এর

মালিবাগ মোড় মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে বা সি আই ডি অফিসের উল্টো পার্শ্বে।

 

বাংলাদেশীদের জন্য ওজন কমানোর ডায়েট প্লান - বি পি আর সি

 বাংলাদেশীদের জন্য ওজন কমানোর ডায়েট প্লান

মেদ ভুড়ি কমানো বা ওজন নিয়ন্ত্রণের সঠিক উপায় আসলে ভালো খাদ্যাভাস গড়ে তোলা। চলুন আমরা একটি ডায়েট প্ল্যান দেখি যা দীর্ঘ মেয়াদে ওজন কমিয়ে মেদ-ভুড়ি দুর করবে। এই প্ল্যানটি অনুসরন করা খুবই সহজ হবে এবং এটি সেভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্ল্যানটি অনুসরন করলে আপনার ক্ষুধাও মিটবে ওজনও কমবে কিন্তু এটি আপনাকে দৗর্ঘমেয়াদে অভ্যাস বা প্রাকটিস করতে হবে । আগেই বলেছি ওজন ভাল রাখতে খাদ্যাভাসের কোন বিকল্প নেই। আর একটি বিষয় চটকদার বা ম্যাজিক্যাল কোন ফর্মুলায় বিশ্বাস করবেন না। ওগুলো স্বল্প মেয়াদে কিছু কাজ করলেও কিছুদিনের মধ্যেই বুঝতে পারবেন ওগুলো আসলে ভুয়া ।

1. সকাল ৭টা ঘুম থেকে উঠেই :

এক চা চামচ খাটি মধু ও এক ফালি লেবু মেশানো হালকা কুসুম গরম পানি এক গ্লাস। এটা খেয়েই স্বাভাবিক কাজকর্ম বা ব্যায়াম করতে পারেন।

2. সকাল ৮টা ব্রেকফাস্ট বা নাস্তা:

এক প্লেট ভাত অথবা দুটি ছোট সাইজ রুটি এবং সবজি এক বাটি এবং একটি ডিম একটি আপেল বা কলা বা এজাতীয় ফল। খেয়াল করুন রাতে রুটি খেলে সকালে ভাত খাবেন। রাতে ভাত খেলে সকালে রুটি খাবেন। সবজি হিসেবে যদি লাউ বা পেপে বা চালকুমড়া নেন তাহলে সবজি একটু বেশী খেলে সমস্যা নেই। সিম বা ঢেড়স বা বরবটি জাতীয় সবজি এক বাটি খেতে পারেন কিন্তু সবজি আলু দিয়ে রান্না না করলে ভাল হয়।

3. বেলা ১১ টা হালকা নাস্তা ও স্ন্যাকস :

নাস্তা হিসেবে বাড়িতে বানানো সবজি রোল বা এক স্লাইস পাউরুটি বা কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ টোস্ট যদি পাওয়া যায় বা হালকা কিছু খেয়ে নিন। সাথে অবশ্যই এক কাপ গ্রিন টি বা সবুজ চা। ফাস্ট ফুড বা মিষ্টান্ন জাতীয় খাবার বর্জনীয়।

4. দুপুর ১ টা লাঞ্চ বা মধ্যাহ্নভোজন:

এক বা দেড় প্লেট ভাত ২ টুকরা মাছের ঝোল অথবা মুরগীর মাংস (চিকেন হলে ভাল হয় চর্বি বিহীন অন্য মাংসও খাওয়া যায়)। সাথে অড়হর বা মুগ ডাল । সাথে সালাদ এক বাটি অথবা একটি শসা বা গাজর । সবজি ভাজি আধা বাটি। খাবার আস্তে আস্তে ভাল করে চিবিয়ে খান। সময় নিয়ে খান।

5. বিকাল ৪টা ৩০ হালকা নাস্তা:

সবজি দিয়ে বানানো নাস্তা বা অল্প একটু মুড়ি বা চিড়া বা খই । সাথে অবশ্যই টক দই ও কলা দিয়ে বানানো লাচ্ছি। লাচ্ছিতে চিনি দেয়া যাবেনা। হালকা গুল মরিচের গুড়া দেয়া যেতে পারে। লাচ্ছি হিসেবে না খেলেও টক দই খেতে হবে এক্ষেত্রে চিড়া দিয়ে খেতে পারেন।

6. রাত ৮ টা ডিনার বা নৈশভোজ:

১ প্লেট ভাত বা ১ টা রুটি সাথে অবশ্যই শাক ভাজি বা ঝোল। পুইশাক বা পালংশাক বা লালশাক এগুলো সবচেয়ে ভালো। মাছ খেতে পারেন ২ টুকরো । হালকা সবজির ঝোল পাতে নিতে পারেন।

খেয়াল করুন কয়েকটি টিপস

প্রথমত মাংসের চেয়ে মাছের অগ্রাধিকার বেশী

দ্বিতীয়ত ভাত বা রুটি বা লুচি বা পরোটা এরকম শর্করা জাতীয় খাবার আপনি আরো বেশী খেতে পারেন, যদি আপনি পর্যাপ্ত ব্যায়াম বা পরিশ্রমের কাজ করতে পারেন। আপনার দেহের শ্রমের সাথে এজাতীয় খাবার সমন্বয় করে কম- বেশী করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত আপনার বেশী খাওয়ার প্রবণতা থাকলে পেপে বা চালকুমড়া বা লাউ এরকম সবজির ঝোল বেশী করে রান্না করে পাতে বেশী করে নিয়ে ভাত বা রুটির উপর নির্ভরতা কমাতে পারেন। অথবা খাওয়ার আগে পানি খেতে পারেন অথবা প্রথমে পাতে খুবই পাতলা করে রান্না করা ডাল আগে একবাটি চুমুক দিয়ে খেতে পারেন।

চতুর্থত খাবারের আকাঙ্খাকে দমাবেন না । প্রয়োজনে বেশী খেয়ে বেশী ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম করুন। এক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করুন। নিতান্তই খেতে ইচ্ছে করলে কম-ক্যালরি আছে এমন খাবার খান।

পঞ্চমত নাস্তায় ফলমুল খেতে পারেন পর্যাপ্ত অনেক ফল আছে যা ওজন কমাতে সহায়ক।

একজন সুস্থ স্বাভাবিক নারী বা পুরষের কমপক্ষে ১২০০ হতে ১৮০০ ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার দৈনিক দরকার। আরেকটি পয়েন্ট- ওজন একবার নিয়ন্ত্রণে এলে সে ওজন ধরে রাখার কৌশল অবলম্বন করবেন। আপনি ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবারগুলো (ভাত বা রুটি বা লুচি বা পরোটা- এছাড়া সবজি বা ফলেও অল্প করে ক্যালরি থাকে) আপনার শারীরিক নড়াচড়া বা ব্যায়াম বা পরিশ্রমের সাথে এডজাস্ট বা সমন্বয় করে নিবেন। এটিই বেশী সহজ ও কার্যকরী। আপনি কিছুদিন এই ছকটি অনুসরন করলেই ফল পাবেন এবং এটি নিজের মত করে সাজিয়ে নিতে পারবেন। আর কখনও হতাশ হবেন না । ভাল থাকবেন।

(এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ডায়েট প্ল্যান আর ডায়েট চার্ট এক জিনিস নয় । একজনের ডায়েট চার্ট আরেকজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। তাই এক্সাক্টলি কোন ব্যক্তির একেবারে নিজস্ব ডায়েট প্ল্যান এর প্রয়োজন হলে ডায়েটিশিয়ান এর সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

আপনার বা আপনার পরিবারের যে কারও যে কোন প্রকারের বাত-ব্যথা, আর্থ্রাইটিজ, প্যারালাইসিস, ব্যাক-পেইন বা ঘাড়, পিঠ, কোমড়, নিতম্ব ও লেজের ব্যথা, কাধ, কনুই, কব্জি, কুচকি, হাটু ও পায়ের গোড়ালীর ব্যথা, নতুন, পুরাতন ও দীর্ঘ মেয়াদি ব্যথা, মাংশপেশীর শক্তি কমে যাওয়া বা দুর্বল হয়ে যাওয়া, হাত ও পায়ে ঝি ঝি করা, অবশ অবশ লাগা বা শক্তি কমে যাওয়া, ব্রেইন স্ট্রোক জনিত হাত ওপায়ের প্যারালাইসিস, মুখের প্যারালাইসিস, রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্ট জনিত সমস্যার পুর্নবাসন, জম্মগত প্রতিবন্ধি ও বিকলাঙ্গ শিশুর চিকিৎসা, পেডিয়াট্রিক বা বাচ্চাদের বিভিন্ন সমস্যার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এবং জেরিয়াট্রিক বা বয়ো-বৃদ্ধদের বিভিন্ন সমস্যার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা, গাইনোকোলজিক্যাল জনিত সমস্যার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা, অকুপেশনাল থেরাপি চিকিৎসা, স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি চিকিৎসা, ইন্টারভেনশনাল পেইন ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে মেরুদন্ডের বিভিন্ন নতুন, পুরাতন ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার চিকিৎসা এবং পেইন ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে হাত ও পায়ের বিভিন্ন জোড়ার ব্যথার চিকিৎসা করা হয়।

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর

বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি

বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাএ ব্যাক পেইন ও পাবলিক হেলথ এবং ডিজএ্যাবিলিটি ও রি-হ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ সিনিয়র ফিজিওথেরাপি মেডিসিন কনসালটেন্ট

 

 

বাংলাদেশী ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খাদ্য তালিকা - বি পি আর সি

 বাংলাদেশী ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খাদ্য তালিকা

ডায়াবেটিস পরিচালনার জন্য একটি ব্যালেন্স ডায়েট বা সুষম খাদ্যের প্রয়োজন, যাতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে বিভিন্ন ধরনের খাবার অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই নির্দেশিকাটি স্থানীয় খাবার এবং সাংস্কৃতিক খাদ্যাভ্যাস বিবেচনা করে বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা একটি ব্যাপক খাদ্য তালিকা প্রদান করে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই ডায়াবেটিক খাদ্য তালিকার জন্য কোন ধরনের খাবার বিবেচনা করা উচিত একটি সম্পূর্ণ গাইড খোঁজার চেষ্টা করছি, আমরা আশা করি নিচের দেওয়া তথ্য আপনাকে সাহায্য করতে পারে। এটি পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের জন্যই কাজ করবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা

সম্পূর্ণ, অপ্রক্রিয়াজাত খাবারের উপর ফোকাস করুন: বাদামী চাল, পুরো গমের রোটি, সবজি, ফল, লেবু (ডাল, মসুর) এবং চর্বি হীন প্রোটিন উৎস (মাছ, মুরগি) বেছে নিন।

অংশ নিয়ন্ত্রণ: আপনি কতটা খান তা নিয়ন্ত্রণ করতে ছোট প্লেট ব্যবহার করুন।

ফাইবার হল মূল: রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের জন্য শাকসবজি, ফল এবং গোটা শস্য অন্তর্ভুক্ত করুন।

স্বাস্থ্যকর চর্বি: অলিভ অয়েল, সরিষার তেল এবং মাছ থেকে চর্বি বেছে নিন। স্যাচুরেটেড এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি সীমিত করুন।

সতর্কতা সহ মিষ্টান্ন: চিনি এবং চিনিযুক্ত পানীয় সীমিত করুন। অল্প পরিমাণে প্রাকৃতিক মিষ্টি যেমন মধু বা খেজুর পরিমিত পরিমাণে বেছে নিন।

ফুড লেবেল পড়ুন: রক্তে শর্করার ব্যবস্থাপনার জন্য কার্বোহাইড্রেট সামগ্রীতে মনোযোগ দিন।

ডায়াবেটিক ডায়েটের নীতি

ভারসাম্য: আপনার খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাটের মিশ্রণ অন্তর্ভুক্ত করুন।

অংশ নিয়ন্ত্রণ: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অংশের আকার রাখুন।

নিয়মিত খাবার: রক্তে শর্করার বৃদ্ধি এবং ড্রপ রোধ করতে নিয়মিত বিরতিতে খান।

নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) খাবার: স্থিতিশীল রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে কম জিআইযুক্ত খাবার বেছে নিন।

ডায়াবেটিক খাবারের নমুনা (বাংলাদেশী স্টাইল)

# প্রাতঃরাশ (6:00 AM - 8:00 AM)

# মধ্য-সকালের নাস্তা (10:00 AM - 11:00 AM)

# দুপুরের খাবার (1:00 PM - 3:00 PM)

# বিকেলের নাস্তা (3:00 PM - 5:00 PM)

# রাতের খাবার (7:00 PM - 9:00 PM)

# বিছানার জলখাবার আগে (ঐচ্ছিক)

খাবারের গ্রুপ এবং প্রস্তাবিত পছন্দ

* প্রোটিন বা আমিষঃ

মাছ: ইলিশ, রুই, কাতলা এবং অন্যান্য স্থানীয় জাত। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে দুটি মাছের পরিবেশনের লক্ষ্য রাখুন।

মুরগি: মুরগি (বিশেষত চর্বিহীন কাটা এবং চামড়াবিহীন)

ডিম: কোলেস্টেরলের সমস্যা হলে প্রতি সপ্তাহে 2-3টি ডিম সীমিত করুন।

দুগ্ধজাত: কম চর্বিযুক্ত দুধ, দই এবং পনির।

উদ্ভিদ-ভিত্তিক: টোফু, টেম্পেহ এবং লেগুম।

* কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাঃ

চাল: সাদা চালের পরিবর্তে বাদামী চাল বা সিদ্ধ চাল বেছে নিন।

পুরো শস্য: পুরো গম, বার্লি, ওটস এবং কুইনো।

লেগুস: মসুর ডাল, ছোলা এবং কিডনি বিন।

* ফ্যাট বা চর্বিঃ

স্বাস্থ্যকর তেল: সরিষার তেল, জলপাই তেল এবং ক্যানোলা তেল।

বাদাম এবং বীজ: বাদাম, আখরোট, চিয়া বীজ এবং ফ্ল্যাক্সসিড।

* শাকসবজি

-স্টার্চি: পালং শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সবুজ মটরশুটি, ওকড়া, এবং করলা (করলা)

স্টার্চি: মিষ্টি আলু, গাজর এবং মটর (পরিমিত পরিমাণে খাওয়া)

* ফল

কম জিআই ফল: আপেল, নাশপাতি, কমলালেবু, বেরি, পেয়ারা এবং পেঁপে।

উচ্চ জিআই ফল: আম, কলা এবং আঙ্গুর খাওয়া সীমিত করুন।

* স্ন্যাকস

স্বাস্থকর বিকল্প: বাদাম, বীজ, ভাজা ছোলা এবং ফলের টুকরা।

এড়িয়ে চলুন: প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস, মিষ্টি এবং ভাজা খাবার।

নমুনা খাবার পরিকল্পনাঃ

সকালের নাস্তা

বিকল্প 1: এক বাটি ওটমিলের সাথে এক টেবিল চামচ চিয়া বীজ এবং একটি বেরি পরিবেশন করুন।

বিকল্প 2: স্ক্র্যাম্বল করা ডিম এবং মিশ্র সবজির সাথে পুরো গমের রোটি।

বিকল্প 3: কম চর্বিযুক্ত দই, পালং শাক এবং একটি ছোট আপেল দিয়ে তৈরি একটি স্মুদি।

মিড-মর্নিং স্ন্যাক

এক মুঠো বাদাম বা একটি আপেল বা নাশপাতির মতো একটি ছোট ফল।

দুপুরের খাবার

বিকল্প 1: ভাজা মাছের সাথে বাদামী চাল, মসুর ডাল (ডাল) এবং মিশ্র সবজির একপাশ।

বিকল্প 2: মুরগির তরকারি (ন্যূনতম তেল দিয়ে তৈরি), একটি সাইড সালাদ এবং সাধারণ দই দিয়ে পুরো গমের চাপাতি।

বিকল্প 3: ছোলা, টমেটো, শসা এবং একটি লেবু-সরিষা দিয়ে কুইনো সালাদ।

বিকেলের নাস্তা

একটি দই-ভিত্তিক ডিপ বা হুমাসের সাথে কাটা শসা এবং গাজরের কাঠি।

রাতের খাবার

বিকল্প 1: ভাজা ভাজা সবুজ শাকসবজি এবং বাদামী চাল বা কুইনোয়ার একটি ছোট পরিবেশন সহ বেকড বা গ্রিল করা মাছ।

বিকল্প 2: পুরো গমের রোটি এবং বাষ্পযুক্ত সবজির সাথে চিকেন বা টোফু কারি।

বিকল্প 3: পুরো শস্যের রুটি বা চাপাতির পাশে মিশ্র উদ্ভিজ্জ স্যুপ।

সন্ধ্যার নাস্তা

এক চা চামচ ফ্ল্যাক্সসিড বা এক টুকরো ডার্ক চকলেট সহ একটি ছোট বাটি দই (পরিমিতভাবে)

অতিরিক্ত টিপস: ডায়াবেটিস পরিচালনার টিপস

প্রচুর পানি পান করুন: সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য হাইড্রেটেড থাকুন।

বাড়িতে রান্না করুন: উপাদান এবং অংশের আকার নিয়ন্ত্রণ করুন।

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন: ব্যায়াম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। প্রতিদিন কমপক্ষে 30 মিনিটের পরিমিত ব্যায়াম করুন, যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটা।

চিনি এবং পরিশোধিত শর্করা সীমিত করুন: চিনিযুক্ত পানীয়, মিষ্টি এবং সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার এড়িয়ে চলুন।

একজন ডাক্তার বা রেজিস্টার্ড ডায়েটিশিয়ানের সাথে পরামর্শ করুন: আপনার চাহিদা এবং পছন্দের সাথে মানানসই খাবারের পরিকল্পনা তৈরি করতে একজন নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ানের সাথে কাজ করুন।

উপসংহারঃ ডায়াবেটিস পরিচালনার মধ্যে রয়েছে সচেতন খাদ্য পছন্দ করা এবং সুষম খাদ্য বজায় রাখা। এই নির্দেশিকাটি বাংলাদেশী খাদ্যাভ্যাসের সাথে উপযোগী একটি ডায়াবেটিক-বান্ধব খাদ্য তালিকা তৈরি করার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে। আপনার খাদ্য আপনার নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণ করে তা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর

বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি

বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাএ ব্যাক-পেইন পাবলিক হেলথ এবং ডিজএ্যাবিলিটি রি-হ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ সিনিয়র ফিজিওথেরাপি মেডিসিন কনসালটেন্ট

 

রোগ নিয়ে বিভিন্ন কথা ও আলাপ এবং আলোচনা - বি পি আর সি হেল্থ সার্ভিস - প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর। বি পি টি, এম ডি, এম পি এইচ, এম ডি এম আর, পি এইচ ডি।

রোগ নিয়ে বিভিন্ন কথা ও আলাপ এবং আলোচনা                                                                                               ...